শিরোনাম
রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি : | ০৬:৩১ পিএম, ২০২৬-০৬-২৭
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় বোরো মৌসুমের ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে প্রান্তিক কৃষককে আড়াল করে সরকারি গুদামে ধান সংগ্রহে কৃষি কার্ডের কারচুপিতে ব্যবসা জমজমাট চলছে। খোলা বাজারে মূল্য কম থাকায় খাদ্য গুদামে সরকারি ক্রয় কেন্দ্রে ব্যবসায়ীরা ধান নিয়ে আসছে। অনেকটা উৎসবমুখর পরিবেশে ধান সংগ্রহ চলছে। তবে প্রকৃত বা প্রান্তিক কৃষকরা সরকারি গুদামে ধান সরবরাহের সুবিধা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।
কদমতলীর কৃষক আবু সামাদ ও আবদুল গফুর বাবুল অভিযোগ করেন, ধান সংগ্রহ কার্যক্রম ধীর গতির কারনে দিনের পর দিন গুদামে অবস্থান করে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েক কৃষক আরও জানান, গুদামের দায়িত্বে থাকা ব্যাক্তিরা মান নির্নয়ের নামে হয়রানি করেন। এমনকি মানরক্ষা প্রক্রিয়ায় ঘাটতি পুরনের কথা বলে বিনা হিসাবে অতিরিক্ত বস্তা থেকে ধান আত্মসাৎ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
গুদাম এলাকায় গিয়ে সরেজমিনে দেখাগেছে, চাতালকল ব্যবসায়ীরা ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে অংশ নিয়ে জমজমাট ব্যবসার সুযোগে ফায়দা লুটছে। একইভাবে অপর শ্রেণির ফড়িয়া ব্যবসায়ীরা কৃষকের নিকট থেকে ধান সংগ্রহ করে গুদাম কর্তৃপক্ষের যোগসাজশে কৃষি কার্ড কারচুপির মাধ্যমে প্রদর্শন করে সরকারি খাদ্য গুদামে ধান সরবরাহ ব্যবসায় লাভবান হচ্ছেন।
আবার কিছু ধান ব্যাবসায়ী ট্রাকভর্তি ধান নিয়ে গুদাম ক্যাম্পাসে ভিড় করছে। উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের মোহাম্মদ ইসমাইল, পারভিন ও জোহরা বেগম নামে ৩ কৃষক-কৃষানি ৩টন ধান নিয়ে এসে ৩দিন ধরে অপেক্ষা করে ট্রাক ভাড়ার ক্ষতি গুনছেন। বেতাগি এলাকা থেকে আসা কৃষক মোহাম্মদ আইয়ুব দীর্ঘ অপেক্ষার পর মানসম্মত নয় এবং প্রক্রিয়ায় ঘাটতি পুরনের কথা বলে ৭৫ বস্তা ধানের বিপরীতে ৩বস্তা ধানের ওজন বাদ দিয়ে মুল্য পেয়েছেন ৭২ বস্তা ধানের। ভ্যাট ছাড়াও পরিমাপের জন্য নগদে দিতে হয়েছে পনের'শ টাকা।
খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি,এলএসডি) মোহাম্মদ ইমরান হোসাইন বলেন, লোকবল সংকটের কারনে সংগ্রহ কার্যক্রম বিলম্বিত হচ্ছে। ৩১ আগষ্ট পর্যন্ত সংগ্রহের সময়সীমা নির্ধারণ রয়েছে। এবার ধান সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ ছিল ৮'শ ৮৫ মেট্রিক টন এবং মুল্য নির্ধারন হয় প্রতি কেজি ৩৬ টাকা। একই সাথে রয়েছে ২ হাজার ৯০ মে.টন চাউল সংগ্রহ কার্যক্রম। এ পর্যন্ত চাউল সংগ্রহ হয়েছে ৫শ ৯৫ মে.টন। ধানের আদ্রাতা ১৪% থাকলে এসব ধান সংগৃহীত হয়। ধান ও চাউলের উপর সরকারি ভ্যাট ০.৫% নির্ধারণ ও পরিমাপের ক্ষেত্রে মনপ্রতি ওজন (৪০কেজি) ২০টাকা হারে নগদে কর কর্তন করা হয়। অতিরিক্ত বস্তার ধান সংগ্রহ ও হয়রানির অভিযোগ সত্য নয়।
উপজেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, উপজেলা কৃষি অফিসের তালিকাভুক্ত ২ হাজার ৩ শত ৭৭ জন কৃষকের নিকট থেকে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রায় ধান সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়। আইডি ও কৃষিকার্ড প্রদর্শন করে ধান সরবরাহে কৃষকের ছবি সংরক্ষণ করা হচ্ছে। কারচুপি কিম্বা অনিয়ম করার সুযোগ নেই। জুন মাসের মধ্যেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের কর্তৃপক্ষের মৌখিক তাড়া রয়েছে যা আমরা সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সক্ষম হবে বলে আশা করা যায়।
মীরসরাই প্রতিনিধি : : মীরসরাই উপজেলা প্রশাসনে নতুন নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) দুপুরে যোগদান করে...বিস্তারিত
আনোয়ার হোসেন ফরিদ, ফটিকছড়ি : : চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে মোবাইল টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির চেষ্টার অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশে...বিস্তারিত
বোয়ালখালী প্রতিনিধি : : আলমগীর রানা : চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে প্রায় ৪০০ দাবাড়ুর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সফলভাবে সম্পন্ন ...বিস্তারিত
আনোয়ার হোসেন ফরিদ, ফটিকছড়ি : : চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও সম্প্রীতির আবহে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধাà...বিস্তারিত
আনোয়ার হোসেন ফরিদ, ফটিকছড়ি : : চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার শাহ সোবাহানিয়া সড়কের উন্নয়ন কাজে নিম্নমানের ইট à¦...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : বান্দরবানের আলীকদমে দুর্গম সীমান্ত এলাকার চিকিৎসাবঞ্চিত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের পাশে দাঁড়িয়...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited